কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ কাজ করছেন, চোখের যত্ন নিচ্ছেন তো?

কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ কাজ করছেন, চোখের যত্ন নিচ্ছেন তো?

  • স্বাস্থ্য ডেস্ক

একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে চোখের পাতা পড়ে না। চোখ শুকিয়ে যায়। এতে করে সবকিছু কাছের থেকে দেখা অভ্যাস হয়ে যায়। তখন আবার দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধা হয়। আর এতে করে চোখের মাইনাস পাওয়ার বেড়ে যায়।

এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলছে। ৮ ঘণ্টার কর্মসময় কখন যে ১০ ঘণ্টায় পৌঁছায় তার হিসেব থাকে না। আবার যারা অফিসে কাজ করছেন তাদেরও রয়েছে কাজের অতিরিক্ত চাপ। তাই টানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অনেক সময়। আবার অবসরের সময় আমরা দেখা যায় মোবাইলে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এভাবে দীর্ঘদিন থাকলে চোখের সমস্যা দেখা দেয়। চোখকে এমন দূরত্বে রাখতে হবে যেনো চাপ না পড়ে। আবার বই পড়ার ক্ষেত্রে চোখ থেকে দেড় ফুট বা ৩৩ সেমি দূরে রাখতে হবে বই। আর কম আলোয় পড়া বাদ দিতে হবে। এতে করে চোখে চাপ পড়ে।

চোখের বিশ্রাম প্রয়োজন

আপনি যখন কম্পিউটারে কাজ করছেন, প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর ২০ মিনিটের একটি বিরতি নিন। সেই বিরতিতে আপনি দেওয়ালের দিকে তাকাতে পারেন। জানলা দিয়ে বাইরে তাকাতে পারেন। না হলে চোখের সমস্যা থেকে শুরু করে চোখে ও মাথায় ব্যথা হতে পারে। এমনকি কোমর, পিঠে ও ঘাড়েও ব্যথা হতে পারে।

চোখ শীতল রাখুন

চোখের উপর সারাদিন চাপ পড়ে। সেই কারণে চোখ জ্বালা করার মতো সমস্যা অনেকের হয়। চোখের কোণ ফুলে যায়। এই জন্য চোখকে বিশ্রাম দেওয়া ও শীতল রাখা প্রয়োজন। এর জন্য আপনি চোখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিতে পারেন। আর না হলে শসা চোখের উপরে দিতে পারেন। এতে করে চোখ অনেকক্ষণ আদ্র থাকবে আর আপনিও আরাম পাবেন।

চোখের ব্যায়াম করুন

কাজের ফাঁকে চোখের ব্যায়াম করে নিন। চোখের মণি ধীরে ধীরে ঘোরান, এ পাশ ও পাশ করুন। এতে চোখের ব্যায়াম হবে। এর জন্য চোখে বা মাথায় ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম হয়ে যায়।

অন্ধকার ঘরে কম্পিউটার বা টিভি নয়

আপনি যদি বাড়িতে কাজ করেন তাহলে লাইট দিয়ে ল্যাপটপ স্ক্রিনে কাজ করুন। কিংবা টিভি দেখার অভ্যাস থাকলেও আলো জ্বেলেই টিভি দেখুন। কখনও অন্ধকার ঘরে দেখবেন না। এতে চোখের উপর খুবই চাপ পড়ে।

ড্রাই আইজের সমস্যা দূর

দীর্ঘদিন কম্পিউটারে কাজ করার পর অনেকেরই এই ড্রাই আইজের সমস্যা তৈরি হয়। চোখের ভিতর শুকনো অনুভব হয়। এই ধরনের সমস্যা এড়িয়ে চলার জন্য কাজের ফাঁকে চোখে পানির ঝাপটা দিন। এছাড়াও আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

সূত্র: জি নিউজ

Sharing is caring!

Leave a Comment